অশরীরী সহবাস (1,2)

 

গল্প _-অশরীরী সহবাস 

#লেখক_আরিয়ান_অভি 

আমার নাম ঈশিতা আমার বয়স ২০ বছর।

আমি অর্নাস সেকেন্ড ইয়ারে পড়ালেখা করছি ।

আমি পড়াশোনাতে অনেক ভালো। আমি পড়ালেখা শেষ করে ঘুমাতে ঘুমাতে গভীর রাত হয়। 


তবে আমি যখন ঘুমাই আমার মনে হয় আমার ঘরে কেউ একজন আছে, যে কিনা আমার সাথেই ঘুমায়

প্রতি রাতে।


কারণ আমি যখন ঘুমাই আমার মনে হয় কেউ একজন আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে। 


একদিন সকালে আমার মা ডাকে আমার ঘুম ভাঙ্গে। মা বলছে, ঈশিতা তাড়াতাড়ি হুট ঘুম থেকে। একি অবস্থা তোর বিছানায় একটা রক্ত কোথা থেকে এলো। 

আমি তাড়াহুড়া করে ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠি আমি যে কি আসলেই তো আমার, বিছানায় অনেক রক্তের দাগ লেগে আছে। 

তোর পায়জামাতে ও তো কিছুটা রক্ত লেগে আছে , কি হয়েছে তোর বলতো। 


মা বিশ্বাস করো আমি বুঝতে পারছি না কি হয়েছে আমি আমি কিছু মনে করতে পারছি না। 

আজই তুই আমার সাথে ডক্টরের কাছে যাবি,তোর কোন রোগ হলো কিনা জানতে হবে তো নাকি। 


না না তুমি চিন্তা করো না আমার এক ফ্রেন্ড আছে না ঋতু ওতো এখন, ডক্টর আমি ওর চেম্বারে আজেই যাব। 

ঠিক আছে তুই আজকে ইউনিভার্সিটি থেকে আসার সময় তোর বান্ধবীর সাথে দেখা করে আসিস। 


ঠিক আছে মা, তাই হবে, আমি ঘুম থেকে উঠে সোজা ওয়াশরুমে চলে যাই ফ্রেশ হওয়ার জন্য। 

তবে আমার শরীর অনেক ব্যথা করছিল কেন এমনটা হচ্ছিল কিছুই বুঝতে পারছিলাম না রাতে তো আমি ঠিক ছিলাম, কি হল রাতে আমার সাথে সেই রক্তই বা কোথা থেকে এলো। 


ফ্রেশ হয়ে আমি নাস্তা করে সোজা ইউনিভার্সিটিতে চলে যাই , ভার্সিটি শেষ করে, আমি আমার বান্ধবীর ক্লিনিকে চলে যাই , আরে ঈশিতা আয় আয় এতদিন পরে আমার কথা মনে পড়ল নাকি। 


আর বলিস না ঋতু অনেক বড় একটা ঝামেলা হয়ে গেছে রে, কি ঝামেলা তুই আগে বসত, এখন বল কি হয়েছে। আমি আমার বান্ধবীর ঋতুকে সবকিছু খুলে বলি,সবটা শুনে ঋতু আমাকে নিয়ে তার প্রাইভেট রুমে চলে যায় চেক করার জন্য আমার কি হয়েছে । 


ঋতু আমার সবকিছু চেক করে বলে দোস্ত এটা কি করে সম্ভব বলতো, তোর সাথে গত রাতে সহবাস করা হয়েছে, আসলে তোর সাথে গতকাল প্রথমবার এসব করা হয়েছে এই কারনে ব্রেডিং হয়েছে। কি তোর মাথা ঠিক আছে আমি তো এখনো বিয়েই করিনি আর আমার ঘরে আমি ছাড়া কেউ আসেনি ঘরের ভিতর থেকে লাগানো ছিল, তাহলে আমার সাথে এসব কে করবে, তোর কথা ভুল হচ্ছে ঋতু। 


না না ঈশিতা আমার কোথাও ভুল হচ্ছে না। আমি একজন ডক্টর আমি এসব কিছু খুব ভালোভাবে বুঝতে পারি,আমি যেটা বলছি সেটা তোকে দেখে এবং পরীক্ষা করে বলছি, তবে দোস্ত আমিও বুঝতে পারছি না তুই তো একা থাকিস তাহলে তোর সাথে এগুলো কিভাবে হল। 


ঋতু জানিস আমি গভীর রাত পর্যন্ত পড়ালেখা করে যখন ঘুমাতে যাই আমার মনে হয় আমার পাশে কেউ একজন শুয়ে থাকে, আমি এসব বিষয়ে এতদিন ভাবিনি কারন আমি মনে করতাম এগুলো আমার মনের ভুল, তুই তো জানিস রে ঋতু আমি জ্বিন ভূত এগুলো বিশ্বাস করিনা । 


না না ঈশিতা এগুলো তোর বিশ্বাস করা দরকার। কারণ এই পৃথিবীতে জ্বিন আছে এটা তো কোরআন হাদিসেও বর্ণনা করা আছে তাই না, ঈশিতা তুই এক কাজ কর কোন হুজুরের সাথে যোগাযোগ কর, কারণ ডক্টরী ভাষায় আমি তোকে কি বলবো কিছু বুঝতে পারছিনা। আমি নিজেও এ বিষয়টা অনেক কনফিউজ। 


আমি ঋতুর থেকে বিদায় নিয়ে তার ক্লিনিক , থেকে বাড়িতে ফিরে আসি আমি মাকে কি বলব বুঝতে পারছিলাম না। এগুলো আমি কি করে আমার মাকে বলি। মা আমার কাছে জানতে চাই কিরে কি হয়েছে গতকালের বিষয়ে কিছু বলেছিলি তোর বান্ধবীকে, 

 

হ্যাঁমা বলেছি ঋতু বলেছে, আমার শরীর নাকি অনেকটা দুর্বল এই কারণেই এমনটা হয়েছে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ও আচ্ছা আমি তো অনেক ভয় পেয়ে গেছিলাম। মা ঠিক আছে তুই তোর রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে, 


আমি মাকে মিথ্যে বললাম। কারন মার মুখের উপরে এসব কথা আমি কি করে বলি। মা শুধু শুধুই আমাকে সন্দেহ করবে, মা হয়তোবা ভাববে আমি রাতের বেলায় আমার বয়ফ্রেন্ড কে রুমে নিয়ে এসেছি। আর সেই বোধ হয় এসব করেছে আমার সাথে।এটাই তো স্বাভাবিক যে কোন মানুষই এমনটাই ভাববে। কারণ এত রাতে আমার রুমে আর কি বা আসবে, আমি নিজেও তো জানিনা কি হয়েছে আমার সাথে কে এসেছিল আমার ঘরে। 


তবে আমায় সব থেকে বেশি যেটা ভাবাচ্ছে। সেটা হচ্ছে আমার ঘর তো ভেতর থেকে লাগানো ছিল, আর আমার বাড়িটা হচ্ছে চারতলায়। এত রাতে জানালা দিয়েও কেউ আসবে কোনভাবেই সম্ভব না, তাহলে আমার সাথে এসব কে করলো,আমাকে যে করেই হোক জানতেই হবে কে এমনটা করল। 


আমি একটা পরিকল্পনা করি আমি ভাবতে শুরু করি গতকাল রাতে জার মাধ্যমে আমার সাথে এসব হয়েছে, আর যেই বা করেছে সে আজকে রাতে অবশ্যই আবারো আমার কাছে আসবে, আর আজকে রাতে আমি ঘুমাবো না আমি দেখার চেষ্টা করব আসলে কে, কে আমি ঘুমিয়ে যাওয়ার পর আমার কাছে আসে। 


সেদিন রাতেও বাবা-মা সবাই ঘুমিয়ে যাওয়ার পর আমি আমার ঘরের লাইটটা জ্বালিয়ে পড়াশোনা করছিলাম। পড়াশোনা শেষ করে রাত দুইটা বাজে আমি আমার বিছানায় যাই ঘরের লাইটটা নিভিয়ে।

আমি আমার চোখ দুটো বন্ধ করে ঘুমানোর নাটক করে ঘুমিয়ে ছিলাম, হঠাৎ করে আমি অনুভব করতে পারি আমার ঘরের, জানালাটা আস্তের উপরে খুলে গেল,আর ঘরে গরম বাতাস বইতে শুরু করলো, আমার চোখ বন্ধ ছিল কিন্তু আমি সব অনুভব করতে পারছিলাম। 


হঠাৎ করেই আমার পাশে আমার কম্বলের নিচে কেউ একজন উঠে পড়ল, আর ঠান্ডা দুইটি হাত আমাকে জড়িয়ে ধরল।আমি ভয়ে অনেক জোরে একটা চিৎকার মারি।


তার পর ______

গল্প_অশরীরী সহবাস

পর্ব _০২, 3

#লেখক_আরিয়ান_অভি  

আমার চিৎকার শুনে বাবা-মা দৌড়িয়ে আমার ঘরে চলে আসে। আর দরজার বাইরে থেকে ডাকতে শুরু করে। কি হয়েছে ঈশিতা দরজা খোলো কি হয়েছে।


 

আমি কোন ভাবে খাট থেকে নেমে এক দৌড়ে দরজাটা খুলে ফেলি। বাবা-মা ঘরে প্রবেশ করে এই লাইটটা অন করে দেয়।আর আমার কাছে জানতে চাই কি হয়েছে? 


আমি চোখ বন্ধ করেছিলাম আমি এতটাই ভয় পেয়েছিলাম চোখ খোলার সাহস পাচ্ছিলাম না। 

বাবা-মা আমাকে বলে চোখ খোলো। আমরা চলে এসেছি কি হয়েছে বল আমাদের। আমি অনেক সাহস জড়িয়ে চোখ দুটো খুলি,আর মা,কে বলি মা আমার খাটে আমার কম্বলের নিচে কেও একজন আছে।


বাবা আমার খাটের কম্বলটা পুরোপুরি উঠিয়ে ফেলে কিন্তু সেখানে তো কিছু নেই, বাবা ভালো করে চারিপাশে দেখে কেউ নেই। খাটের,নিচেও চেক করে বাবা কিন্তু কেউ ছিল না সেখানে । তবে আমি একটা বিষয়ের লক্ষ্য করি রুমের জানালা দুটো খোলা। কিন্তু আমার খুব ভালো করে মনে আছে। আমি পড়াশোনা শেষ করে জানালা লাগিয়ে ঘুমাতে এসেছিলাম । 


বাবা বলে কই কিছু তো নেই হয়তোবা তুমি খারাপ কোন স্বপ্নে দেখেছো, কিন্তু আমি স্বপ্নে কি করে দেখতে পারি আমি তো জেগে ছিলাম, আমি তো অনুভব করতে পেরেছিলাম আমাকে দুটি ঠান্ডা হাত,জড়িয়ে ধরেছে । কিন্তু আমি কি করে প্রমাণ করব যে কিছু একটা ছিল, যেটা কিনা এখন আমার রুমে নেই। 


আমাকে এত ভয় পেতে দেখে মা বলে ঠিক আছে। আজকে আমি না হয় তোমার সাথে ঘুমাই, ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই ঈশিতা সবকিছু ঠিক আছে।


সেদিনের মত মা আমার সাথে আমার ঘরে ঘুমায়। 

আমি কোন ভাবেই ঘুমাতে পারছিলাম না। আমি বুঝতে পারছিলাম না কি হয়ে গেল আমার সাথে, আমি তো খুব স্পষ্ট ভাবে অনুভব করতে পারলাম কিছু একটা আমাকে জড়িয়ে ধরেছে। 


সকালে আমার ঘুম ভাঙ্গে আর আমি আমার ইউনিভার্সিটিতে চলে যাই,ভার্সিটি থেকে আসার সময় আমি আবারো আমার বান্ধবীর কিনিনিকে যায় আর ঋতুর সাথে দেখা করি , দোস্ত আমার সাথে না গতকাল রাতে আবার ঘটেছে। তুই বিশ্বাস কর আমি অনুভব করেছি কিছু একটা আমাকে জড়িয়ে ধরেছে, যার হাত দুটো খুবই ঠান্ডা ছিল। 


সবটা শুনে আমার বান্ধবীর ঋতু বলে।

দেক ঈশিতা আমি কিছুতেই বুঝতে পারছি না তোর সাথে কি হচ্ছে তুই একটা কাজ কর না, তুই বেশ কিছুদিন আমার সাথে আমার ফ্ল্যাটে থাকবি।আমি তো একাই থাকি তুই থাকলে আমারও ভালো হবে। 

আর আমিও অনুভব করার চেষ্টা করব আসলে কি অদৃশ্য কিছু তোর সাথে দেখা করতে আসে। 

আর আমার বিশ্বাস তুই আঙ্কেল আন্টিকে বললে তারা মানা করবে না। আমি আজকেই বাবা মার সাথে কথা বলবো আর তোকে বিকেলবেলা ফোন দিয়ে জানাবো । 


আমি ঋতুর থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় চলে আসি।

দুপুরের খাওয়া দাওয়ার পর। আমি বাবা মাকে বলি বাবা আমি বেশ কিছুদিন ঋতুর সাথে তার ফ্ল্যাটে থাকতে চাই। আসলে বাবা আমি ঘরে ঠিক ভালোভাবে পড়তে পারছি না ওর সাথে থাকলে হয়তোবা আমি পড়ায় মন দিতে পারব। 


বাবা মা জানে ঋতু কেমন মেয়ে তাই তারা কোন দ্বিমত না করে আমাকে পারমিশনটা দিয়ে দিল । 

বিকেলবেলা আমি ঋতুকে ফোন দিয়ে সবটা বলি। আর সন্ধ্যের আগেই বাবা গাড়িতে করে ঋিতুর ফ্ল্যাটে আমাকে এগিয়ে দিয়ে যায় । 


ঈশিতা কি খাবি তুই বল আজকে আর রান্না করবো না চল দুই বান্ধবী ফুডপান্ডা থেকে কিছু অর্ডার করে দেই।ঠিক আছে তুই যেমনটা ভালো বুঝিস তবে আজকে কিন্তু আমি কাচি খাব কাচ্চি অর্ডার কর। 

রাতের ডিনারটা আমরা ফুডপান্ডা থেকে অর্ডার করে নিয়ে আসি । খাওয়া-দাওয়ার পর দুই কাপ কফি বানিয়ে খাটের উপর বসে পড়লাম আড্ডা দেয়ার জন্য । 

আচ্ছা ঋতু তুই কখনও জ্বীন দেখেছিস?

নারে ঈশিতা আমি এসব কখনো দেখিনি কিন্তু দাদু দিদার কাছে এসবের অনেক ঘটনা শুনেছি । 

জানিস আমার দাদু বলেছে আমাদের গ্রামে নাকি একটি মেয়েকে আরেকটা জ্বিন বিয়ে করে তার সাথে সংসার পর্যন্ত করেছে,। কি বলছিস রে তুই এটাও সম্ভব ।হ্যা ঈশিতা এটা আমি শুনেছি আমার দাদুর কাছে কিন্তু এটা তো অনেক আগের ঘটনা ১৯০৫ সালের ঘটনা। 


আচ্ছা ঋতু তাহলে কি আমার কাছেও কি কোন জ্বিন আসে । সেটা জানার জন্যই তো তোকে আমার ফ্ল্যাটে নিয়ে এলাম, দেখাই যাক আজ রাতে কিছু হয় কিনা। 


আড্ডা দিতে দিতে রাত্র একটা বেজে যায় তারপরে আমরা একসাথে লাইট বন্ধ করে এক খাটে ঘুমিয়ে পড়ি । আমি যখন গভীর ঘুমে ছিলাম তখন আমি একটা স্বপ্ন দেখি, আমি ঋতুর ফ্লাটে শুয়ে আছি আর আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে খুব সুন্দর দেখতে একটি পুরুষ। পুরুষটি মিশরের মানুষদের মতো খুব সুন্দর পোশাক পরা, সেই পুরুষটি আমাকে বলছে আমার না খুব কষ্ট হচ্ছে জানো আমি আজকে ঘুমাতে পারবো না এটা ভেবে। 


আমি তখন স্বপ্নের মাঝে সেই পুরুষটার সাথে কথা বলতে শুরু করলাম, কে আপনি আর আপনি ঘুমাতে পারবেন না কেন। 


তখন সে সুদর্শন পুরুষটি আমাকে বলে কি করে ঘুমাবো বলো আজ তো তোমাকে ধরে আমি ঘুমাতে পারবো না। কারণ আজকে তোমাকে জড়িয়ে ধরে আছে তোমার বান্ধবী, হ্যাঁ আমি চাইলে তার ভেতরে প্রবেশ করে তোমাকে জড়িয়ে ধরতে পারি কিন্তু এটাতে, আমি কোন ফিল পাবোনা আর আমার ঘুম হবে না। 


তুমি জানো ঈশিতা, আমি গত পাঁচ বছর ধরে তোমাকে জড়িয়ে ধরে প্রতি রাতে ঘুমাই। কিন্তু এই গত পাঁচ বছরে আমি একবারও তোমার কোন সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করিনি, কিন্তু সেদিন ওই বৃষ্টির রাতে।

আমার কি যে হল আমার অজান্তেই তোমার সাথে আমি সহবাস করলাম। তুমি এতটা ঘুমাচ্ছিলে যে তুমি কোন কিছু আলাপ-ই পাওনি, এটার জন্য আমি খুবই লজ্জিত আমাকে তুমি মাফ করে দিও। 


তোমাকে প্রতি রাতে জড়িয়ে ঘুমাতে ঘুমাতে এটা আমার অভ্যাস হয়ে গেছে। তাই এখন তোমাকে জড়িয়ে না ধরে ঘুমাতেই পারিনা আমি। দয়া করে তুমি কালই তোমার বাড়িতে ফিরে যাও। আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি আমি আর কখনোই, তোমার অনুমতি ছাড়া আর তোমার সাথে অন্য কিছু করবোনা, শুধু একটু তোমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাবো আমি দয়া করে তুমি বাড়ি ফিরে যাও না। প্লিজ প্লিজ ঈশিতা আমার কথা রাখো। 


তখনই আমার ঘুমটা ভেঙে যায় আমি লাফিয়ে ওঠি ঘুম থেকে, ঘুম থেকে উঠে আমি হাঁপাচ্ছিলাম আমার হার্টবিট বেড়ে গেয়েছে।আমাকে এভাবে লাফিয়ে উঠতে দেখে আমার বান্ধবীরও ঘুম ভেঙে যায়,। 


ঋতু উঠে আমাকে বলে কি হয়েছে ঈশিতা এভাবে হাঁ পাচ্ছিস কেনো?


আমি আমার বান্ধবীকে সবটা বলি স্বপ্নের বিষয়, 

আর সেই সুদর্শন পুরুষটির বিষয়ে সব কিছু বলি। 

সবটা শুনে বলে গত পাঁচ বছর ধরে সে তোর সাথে ঘুমাচ্ছে আর তুই কোন আলাপে পেলিনা,।

ঈশিতা এটা কোন স্বপ্ন না আসলে সে একটা জ্বিন এই কারণেই তো স্বপ্নের মাঝে দেখা করতে এসেছে সে । 

কিন্তু সে কে আর কোথা থেকে তোর সাথে এলো?

আর গত পাঁচ বছর ধরে সে তোর সাথে আছে। 


ঈশিতা আমাদের যত দ্রুত সম্ভব জানতে হবে সে জ্বিনটা আসলে কে?


তারপর ______


Next______


Post a Comment

0 Comments