অশরীরী সহবাস (8,9,10)


 গল্প _অশরীরী সহবাস 

পর্ব _০৮,9,10

#লেখক_আরিয়ান_অভি 

কি বিচার চাও তুমি মা বলো। 

সে আমার সাথে সহবাস করেছে, তাই আমি চাই মহারাজ ইয়ামিন আমাকে বিয়ে করবে, আর সকল ব্যবস্থা আপনি নিজে করবেন। 


ঈশিতা মা তুমি যা বলছো ভেবে বলছো তো, সে কিন্তু তোমার মত মানুষ না সে একটা জ্বিন,।


হ্যাঁ ইমাম সাহেব আমি যা বলছি সব কিছু ভেবেই বলছি।

দেখুন সে আমার সাথে যা করেছে সেটা আমার স্বামীর অধিকার ছিলো,যা হওয়ার তা হয়ে গেছে এখন আমি ও তার নিজের বউয়ের অধিকার আদায় করব। 


ঠিক আছে মা তুমি যা বলছো তাই হবে,

এখন তুমি তোমার বাড়িতে ফিরে যাও আমি রাতে ইয়ামিনের সাথে কথা বলবো আর সে রাতের বেলায় তোমার সাথে দেখা করতে আসবে, আর আগামীকাল সে মানুষ রুপে আমার সাথে দিনের বেলায় তোমাদের বাড়িতে আসবে, আমি তোমার দাদাকে তোমাদের বিয়ের বিষয়ে প্রস্তাব দেবো, আর আমি যতোটুকু জানি তোমার দাদা বাড়ির সকলেই ইয়ামিনকে অনেক পছন্দ করে।

 

এর আগেও তোমার চাচা জান তোমাদের বিয়ের বিষয়ে আমার সাথে কথা বলেছিল, কিন্তু তখন তো আর জানতাম না যে ইয়ামিন তোমাকে পছন্দ করে,।


আমি তোমার চাচা,কে মানা করে দিয়েছিলাম কারণ ইয়ামিন একটা জ্বিন,কিন্তু এ কথা তো তোমার চাচাজান জানতো না সে ভেবেছিল।ইয়ামিন মানুষ আর সে আমার মাদ্রাসায় একটা এতিম সন্তান আসলে ইয়ামিন দেখতে এত সুদর্শন, 

সে যখন এই গ্রামে ছিল আর মানুষ রূপে, গ্রামে ঘুরতে বের হতো যে দেখতো সেই পছন্দ করে ফেলত তাকে। 


আমি ইমাম সাহেবকে বলি ঠিক আছে আমি এখন চলে যাচ্ছি আমি রাতের বেলায় ইয়ামিনের জন্য অপেক্ষা করবা, আপনি তাকে বুঝিয়ে সুযে আমার কাছে পাঠিয়ে দিয়েন,আর হ্যাঁ তাকে কিন্তু রাজি করাতে হবে বিয়ের বিষয়। 


তুমি চিন্তা করো না মা সে আমার কথার বিরুদ্ধে যাবে না, তুমি নিশ্চিন্তায় বাড়িতে ফিরে যাও। 


আমি ইমাম সাহেবের কক্ষের বাইরে চলে আসি, তারপর রানা ভাইয়া আর তানিয়াকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসি,।


রাতে আমি আর তানিয়া একই রুমে ঘুমাই, 

আমি তানিয়াকে সবকিছু খুলে বলি যা যা ইমাম সাহেব আমাকে বলেছে, তানিয়া আমাকে বলে আমি তো ইয়ামিন সাহেব কে চিনি, সে খুবই ভালো একজন ইমাম, সে আগে তো আমাদের এই মাদ্রাসায় থাকতো, 

আর আমাদের বাড়িতেও মিলাদ মাহফিলের জন্য অনেকবার এসেছে, সে খুবই ভালো একজন ব্যক্তি, 

কিন্তু আমি তো বিশ্বাসই করতে পারছি না সে একটা জ্বিন,তাকে দেখে কোনোভাবেই বোঝা যাচ্ছিল না সে যে কোন সাধারণ মানুষ না, ঈশিতা, তুই সত্য বলছিস তো নাকি মিথ্যে মিথ্যে বলছিস কোনটা, 


আরে পাগলি আমি কি সত্য বলছি না মিথ্যে বলছি সেটা আজকে রাতেই দেখতে পারবি।

রাতে তানিয়াও আমার সাথে জেগে ছিল, 

তার কথা সে যে করেই হোক ইয়ামিনকে দেখবে জ্বিনরূপে। 


রাত ঠিক দুইটার দিকে আমাদের রুমের দরজায় কেউ একজন দুটি বা টোকা দিল, আর খুব মিষ্টি কন্ঠে বললো আজ কোনো ফাঁকিবাজি না আজকে সরাসরি দরজা দিয়ে প্রবেশ করব দরজাটা খোলো, আমি ইয়ামিন, তুমি আমাকে আসতে বলেছিলে তাই চলে এলাম। 


আমি খুশিতে আত্মহারা হয়ে যখন দরজাটা খুলতেই যাব তখন তানিয়া আমাকে বলে দাঁড়া কোথায় যাচ্ছিস, সে না জ্বিন সে তো চাইলেই দরজার ভেতর দিয়ে আসতে পারে, 

ও বুঝতে পেরেছি তোরা দুইজন আমাকে বোকা বানাচ্ছিস তাই না, তোরা একে অপরকে আগে থেকেই চিনিস আর এখন আমাকে বোকা বানাচ্ছিস যেনো আমি তোদেরকে একসাথে দেখা করতে দেই তাই তো।


আরে না না তুই আমাকে ভুল বুঝতেছিস, এমন কিছু না,সে আসলেই একজন জ্বিন।ঠিক আছে তাহলে তুই প্রমাণ কর তাকে বল সে যেনো অদৃশ্য হয়ে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে।


এই যে শুনছেন ইয়ামিন, আমি ঘরে একা না আমার সাথে আপনার শালিকাও আছে , আর সে,তার আদরের দুলাভাইয়ের কাছে একটি, আবদার করেছে আপনার শালিকা চায় আপমি অদৃশ্য হয়ে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন,এখন এটা আপনার উপরে আপনি কি আপনার শালিকার আবদারটি রাখবেন কি রাখবেন না। 


তখন দরজার বাইরে থেকে ইয়ামিন বললো আমার আদরের শালী তার দুলাভাইয়ের কাছে একটা আবদার করেছে আমি কি না রেখে পারি,। 


তখনই আমি আর তানিয়া দেখি কিছু সাদা ধোয়া দরজার নিচ দিয়ে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করল, 

আর আস্তে আস্তে সেই ধোয়া থেকে একটি খুব সুন্দর মানুষের আকৃতি তৈরি হলো, আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে ইয়ামিন, একটি খুব সুন্দর রাজকীয় পোশাক পরা সে, তানিয়া ইয়ামিনকে এইরূপে প্রথম দেখলো, 

কারণ এর আগে যতবার এসে ইয়ামিনকে দেখেছে খুব সাধারণ একটি পাঞ্জাবি আর টুপি পরা অবস্থায় সে তাকে এই রূপে দেখে বিশ্বাস করতে বাধ্য হল আসলেই ইয়ামিন একজন জ্বিন রাজা।


কিন্তু তানিয়া এ বিষয়টা বেশিক্ষণ নিতে পারল না সে এটা দেখে অনেক ভয় পেয়ে গেল আর সেখানেই অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল। 


আমি আর ইয়ামিন তার কাছে গেলাম, 

ইয়ামিন আমাকে বললো ভয় পাওয়ার কিছু নেই সে এইসব জিনিস দেখে অনেকটা ভয় পেয়ে গেছে, তাই জ্ঞান হারিয়েছে সকালেই তার জ্ঞান ফিরে আসবে। 

আমি আর ইয়ামিন তানিয়াকে মাটি থেকে তোলে তানিয়ার খাটে শুইয়ে দেই।


তারপর ইয়ামিন আর আমি আমার খাটের উপরে এসে বসি, ইয়ামিন আমাকে বলে তোমার মাথা ঠিক আছে তো তুমি ইমাম সাহেবকে গিয়ে কি বলেছে এইসব, দেখো আমি তোমাকে অনেক পছন্দ করি তোমাকে অনেক ভালোবাসি, তোমাকে বিয়েও করতে চাই কিন্তু তুমি যদি আমাকে বিয়ে করো তাহলে তোমার জীবনটা নষ্ট হয়ে যাবে, কারণ আমি তো তোমাদের মত সাধারণ মানুষ না আমার জগৎ আলাদা আলাদা আমার দুনিয়া আলাদা আমার লোকজন, সেখানে তুমি কি করে থাকবে। 


তখন আমি ইয়ামিনকে বলি এ সকল কিছু কি তখন মাথায় ছিল না যখন তুমি আমার কাছে এসেছিলে, 

যখন তুমি আমার স্বামীর অধিকার কেড়ে নিলে। 

এখন আমি যখন তোমার স্ত্রীর অধিকার নিতে চাচ্ছি, 

আট এখন তোমার এত বাধা, আমি কিছু শুনতে চাই না কিছু বুঝতেও চাই না আমি তোমাকে চাই মানে তোমাকে চাই।


ঠিক আছে আমি তোমাদের দুনিয়াতে যেতে পারবো না তোমাদের সাথে থাকতে পারবো না তাতে কি, তুমি তো মানুষরূপে আমাদের দুনিয়ায় আমাকে নিয়ে থাকতে পারবে নাকি। 


কিন্তু ঈশিতা তুমি কেনো বুঝতে চাচ্ছো না আমি অনেকগুলো জ্বিনেদের রাজা, আমি যদি আমার জগতে না যাই তাহলে আমার প্রজাদের কি হবে বলো।

তাহলে ইয়ামিন একটি কাজ করা যাক, তুমি বিয়ের পর দিনের বেলায় সাধারণ মানুষের রূপে আমার সাথে সংসার করবে, আর যখন রাতের অন্ধকার নেমে আসবে তখন আমাকে নিয়ে তোমাদের জগতে যাবে, 

আর আমি যতটুকু জানি তোমাদের জগতের সকল কাজ শুরুই হয় রাতের বেলায়।


কিন্তু ঈশিতা তুমি বোঝার চেষ্টা করো,  

আমি আর কোন ব্যাখ্যা শুনতে চাই না ইয়ামিন,

ঠিক আছে আমি আর তোমাকে জোর করব না তুমি চলে যেতে পারো আমার জীবন থেকে, কিন্তু মনে রেখো আর কোনদিন আমার কাছে আসার চেষ্টাও করবে না তুমি,আর আমি যদি কোনদিন বুঝতে পারি তুমি আমার আশেপাশে আছো তাহলে আমি আমার নিজের জীবন নিজ হাতে নেব।


এক চড় দিব পাগলী , আরেকবার যদি নিজের মুখে মরার কথাটা বলো তো, তুমি যদি মরে যাও তাহলে আমি কাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাবো রাতে , এটা বলে ইয়ামিন আমাকে জড়িয়ে ধরল,আর আমার ঠোঁটে ঠোঁট লাগিয়ে লিপ কিস করা শুরু করল আমি এর আগে আর কখনো কাউকে কিস করিনি , জীবনের প্রথম কাউকে কিস করলাম, তাও আবার একটি জ্বিন, কে, আমার পুরো শরীর থর থর করে কাপছিল, বুকের বা পাশে কেমন জানি লাগছিল।


ইয়ামিন আমাকে নিয়ে খাটের উপরে শুয়ে পড়লো, 

সেদিন রাতে আমরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে ছিলাম,ভোর হওয়ার কিছুক্ষণ আগে ইয়ামিন আমাকে বললো, এখন আমাকে যেতে হবে, তুমি ফজরের নামাজটা আদায় করো, চিন্তা করো না আজকে বিকেল বেলায় ইমাম সাহেব আমাদের বিয়ের বিষয়ে কথা বলার জন্য তোমাদের বাড়িতে আসবে । 


আজকে আমি আসি ঈশিতা আল্লাহাফেজ রাতে দেখা হবে, আর আমাকে বলবে কিন্তু তোমার পরিবার বিয়েতে রাজি হলো কি হলো না।


আমি ইয়ামিন কে বলি তুমি চিন্তা করো না আমি তো আছি আমি দাদার পায়ে ধরে কান্না করব আর দাদাকে বোঝাবো সে যেনো আমার বাবা মার সাথে কথা বলে  

আমি তোমাকে ছাড়া আর কাউকে বিয়ে করব না ইয়ামিন, 


ইয়ামিন আমার থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেল, 

ফজরের নামাজ শেষ করে আমি তানিয়ার জ্ঞান ফেরানোর জন্য তার চোখে পানির ছিটা দেই  

কিছুক্ষণের ভেতরেই তানিয়ার জ্ঞান ফিরে আসে, 

আমি অপেক্ষায় ছিলাম কখন বিকেল হবে আর ইমাম সাহেব আমাদের বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এ বাড়িতে আসবে। 


তার পর ___

Next ___

গল্প_অশরীরী সহবাস 

পর্ব _০৯, 10

#লেখক_আরিয়ান_অভি 

দেখতে দেখতে বিকেল হয়ে গেল , ইমাম সাহেব 

আমার বাড়িতে আমাদের বিয়ের বিষয়ে প্রস্তাব নিয়ে আসে, চাচা দাদা যখন শুনে ইয়ামিন আমাকে বিয়ে করার প্রস্তাব পাঠিয়েছে , তারা এক কথায় রাজি হয়ে যায়, কারণ তারা জানতো ইয়ামিন কত ভালো একজন ব্যক্তি। 


কিন্তু এখন সমস্যা একটা আমার বাবা-মা, 

তারা কি রাজি হবে, দাদা তখন বললো তাদের নিয়ে চিন্তা করো না তাদের সাথে আমি কথা বলবো।

সেদিনই বাবা-মাকে ফোন দিয়া হলো বাবা-মা তো শুনে অনেক অবাক হলো যে আমি গ্রামের বাড়িতে।


সেদিনেই বাবা-মা গ্রামে চলে এলো, শুরুতে তো বাবা-মা আমার উপরে অনেক রাগ হলো, আমাকে বললো গ্রামের কোন ছেলের হাতে তোমার হাত আমি তুলে দিতে চাই না আমরা চাই শহরের কোন উচ্চশিক্ষিত ছেলের সাথে তোমার বিয়ে হোক । 


তখন ইমাম সাহেব এগিয়ে এসে বললো?

আমাকে মাফ করবেন আমি আপনাদের পরিবাবের কথার মাঝে কথা বলতে আসলাম আমি বলি কি ভাই সাহেব আগে আপনি ইয়ামিনের সাথে কথা বলেন যদি আপনাদের কাছে ছেলে টা কে ভালো না মনে হয় তো এই বিয়ে হবে না আপনারা হলেন ঈশিতার বাবা-মা আপনারা যা বলবেন তাই হবে।


বাবা-মা তখন বললো ঠিক আছে? আপনি যেহেতু বলছেন তাহলে আগামীকাল পাত্রকে নিয়ে আসেন এই বাড়িতে,আমরাও তাকে দেখতে চাই, বাবা ভাই তারা সকলেই বলছে ছেলেটা নাকি অনেক ভালো যদি আমাদের কাছেও ভালো লাগে তাহলে বিয়ে হবে। 


ইমাম সাহেব তখন আমার বাবা - মা কে বললো ঠিক আছে ভাই সাহেব আজকে তাহলে আমি আসি আগামীকাল পাত্র কে নিয়ে একসাথে আসব,  


রাতে আমি আর তানিয়া ঘুমিয়ে ছিলাম। 

হঠাৎ আমার কানের কাছে কেউ একজন ফিসফিসিয়ে বলছে, বলেছিলাম না রাতে দেখা করতে আসবো তাহলে কেনো ঘুমিয়ে গেলে আমার জন্য অপেক্ষা করতে পারলে না।


আমি চোখ খুলে দেখি ইয়ামিন আমার সামনে দাঁড়ানো, 

খুব সাধারন একটি সাদা পাঞ্জাবি পড়া সে আর মাথায় এত টুপি পড়া,আজকে ইয়ামিনকে দেখতে খুব সুন্দর লাগছে দেখে মনে হচ্ছে ও আমাদের মতো আর পাঁচটি মানুষের মত একটি মানুষ। 


আমি ইয়ামিনকে কান্না করতে করতে সবটা খুলে বলি, চর বলি আরো বলি এখন কি হবে ইয়ামিন বাবা মা যদি তোমার হাতে আমার হাত না তুলে দেয় তো। 

সবটা শুনে ইয়ামিন বলে এই ব্যাপার, তুমি চিন্তা করো না তোমার সাথে আমারিই বিয়ে হবে, এটা আমি তোমাকে কথা দিলাম ।তারপর ইয়ামিন নিজ হাতে আমার চোখের পানি মুছে দেয় , আর আমায় জরিয়ে ধরে বলে কান্না কেনো করছো পাগলি আমি তো আছি না কি।


আমাকে এখন যেতে হবে, ঈশিতা আমি বিকেলে আসবো তোমার বাবা -মার সাথে দেখা করতে। 

এরপর ইয়ামিন আমার থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেলো,

আমি আল্লাহর কাছে বারবার বলছিলম জে বাবা- মা যেনো তাকে মেনে নেয়।


বিকেলে আমি ঘরে ছিলাম বাবা - মা আমায় ঘরের বাইরে আসতে দেয় না । তানিয়া ঘরে এসে আমায় বলে ঈশিতা ইয়ামিন ইমাম সাহেবের সাথে আমাদের বাড়িতে এসেছে, তুই না দেখলে বিশ্বসা করবি না তাকে দেখতে আজ কে কি যে সুন্দর লাগছে রে ঈশিতা, তাকে দেখে তো মনেই হচ্ছে না সে যে একটি জ্বিন । 


 বাবা- মা কি ওকে মেনে নিছে তনিয়া, বল না আমায়।

জানিনা রে ঈশিতা চাচা-চাচি আমায় সে খানে দাড়াতে দেয় নি তাই আমি চলে আসলাম।


তার ১ঘন্টা পর ইয়ামিন আর ইমাম সাহেব আমাদের বাসা থেকে চলে যায়, তারা চলে জায়ার পর বাবা-মা আমার ঘরে আসে আর আমায় বলে। 


ঈশিতা তুই এত সুন্দর এত ভদ্র ছেলে কথায় পেলি বল মা এক দেখাতেই সে আমাদের মন চুরি করেফেলেছে মাশাল্লাহ কি সুন্দর করে কথা বলে ছেলে টা শোন মা আগামীকাল পবিত্র জু্ম্মার দিন সে দিন রাত ৯;টায় তোদের বিয়ে এখন তেমন কোন ভাবে আয়োজন করব না পরে এক সময় সবাইকে নিয়ে আয়োজন করে নেব। 

তুই বরঞ্চ বিয়ের প্রস্তুতি নে। 


এটা বলে বাবা- মা আমার ঘর থেকে চলে গেলো। 

আমি তো খুশিতে পাগল হয়ে যাব, আমি তানিয়া কে জরিয়ে ধরে বলি আল্লাহ আমার কথা শুনছে। 


 সে দিন রাতে আমি তানিয়া কে বলি বোন আমার আজ রাতে তুই একটি কষ্ট করে পাশের ঘরে ঘুমা না। 

আমি ইয়ামিনের সাথে কিছু টা সময় একা কাটাতে চাই।


ওরে আমার বড় আপু শুন আমি জানি তুমি এমন টা কেনো বলছ কিন্তু আপু আমার বিয়ের আগে এই গুলো ঠিক না, আর তো মাত্র ১ দিন একটু নিজেকে সামলাও প্রিয় আপু আমার।


যা ন বোন পাশের ঘরে আজ রাতের জন্য , তুই আমার ভালো বোন টি না বল।

ঠিক আছে জেতে পারি তবে আমায় ২০০ টাকা দিলে।


আমি তখন তানিয়াকে ২০০ টাকা দিয়ে দেই আর ওকে পাশের ঘরে পাঠিয়ে দেই, যাওয়ার আগে হারামি আমায় বলে?


আপু আমার যা করবে আসতে আসতে করো কিন্তু ভালোবাসার শব্দ গুলো যেনো পাশের ঘরে না জায়। 


তবে রে তুই ধারা হারামি মেয়ে,। 

রাত একটা বাজে, আমি অপেক্ষায় আছে তার। 

সে আমার অনুমতি ছাড়া আমার সাথে অনেক কিছু করেছে, আজকে আসুক আমিও বুঝাব আমি কোন জিনিস😅


তারপর ______


Next______


এই গল্পের পরবর্তী পর্ব আগামীকাল আমার এই নানা ভাইয়ের গল্প পেজে আপলোড দেওয়া হবে। যারা এখনো আমার এই পেজটিকে ফলো করেননি সবাই ফলো করে রাখবেন পরবর্তী পর্বগুলো সবার আগে পড়ার জন্য । 


আমি আরিয়ান আজ আপনাদের থেকে বিদায় নিলাম 

আল্লাহ হাফেজ 💕💕গল্প_অশরীরী সহবাস 

পর্ব _১০

#লেখক_আরিয়ান_অভি 

রাত ২ঃটা২০, আমি একটি নীল রঙের শাড়ি পড়ে বিছানার উপরে শুয়ে আছি, ঘুমানোর নাটক করে, 

ইচ্ছে করে আমার কোমরটা যেনো দেখা যায় এভাবে শাড়ি পড়েছি আমি। 


আমি লক্ষ্য করি আমার ঘরটা ঠান্ডা একটি বাতাসে ভরে গেল, আর দরজার ফাঁকা দিয়ে কিছু সাদা ধোয়া ঘরে প্রবেশ করল, আমি বুঝতে পারলাম কে এসেছে। 


আমি চোখ দুটো বন্ধ করে ঘুমানোর নাটক করে কিছুক্ষণ শুয়ে ছিলাম। ,আমি দেখি ইয়ামিন আস্তে আস্তে আমার কাছে আসলো,। আমি খুব সুন্দর করে সেজেছি সে তো দেখি অনেক মুগ্ধ হয়েছে আমাকে। 


ইয়ামিন আমাকে ডাকতে শুরু করল, ঈশিতা এই ঈশিতা ওঠো আমি এসেছি।কিন্তু আমি তার ডাকের কোন সাড়া দিচ্ছিলাম না। আমি চুপটি করে ঘুমানোর নাটক করছিলাম। 


ইয়ামিনের নজর যখন আমার কোমরের মাঝে ছোট্ট তিলটার দিকে নজর পড়লো, তখন সে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না,আস্তে আস্তে করে আমার পাশে এসে বসলো ,তারপর কোমল ভাবে তার দুটি হাত আমার কোমরে রাখলো,আর আলতোভাবে, হাত দুটো বুলাতে শুরু করল। আমি আর বেশিক্ষণ নিতে পারলাম না এটা, আমার হার্টবিট বেড়ে যাচ্ছিলো, 

ঘাড়ের পাশ দিয়ে কেমন একটা লাগছিল।


আমি আর ঘুমানোর নাটক করতে পারলাম না, 

আমি এক লাফে খাট থেকে উঠে বসি।, আর তার হাত দুটো ধরে বলি , বন্ধ কর কি করছো তুমি বন্ধ করো এবার, তোমাকে শিক্ষা দিতে গিয়ে আমি নিজেই শিক্ষা পেয়ে গেছি। শুধু সুযোগ খুঁজো তাই না, সবসময় মাথায় শুধু ওই একটা জিনিসই ঘোরে নাকি।

ইয়ামিন তখন আমাকে বললো,


বিশ্বাস করো ঈশিতা, আমার এমন কোন ইচ্ছে ছিল না, কিন্তু তোমার ওই কোমরের তিলটা আমার মাথা নষ্ট করে দিয়েছে, তাছাড়া আজ বাদে কাল তো আমরা বিয়ে করছি নাকি, প্লিজ বিশ্বাস কর আমি কিছু করবো না। শুধু তোমার ওই তিলটাকে একটা কিস করব। 


ইয়ামিন এত মায়া লাগিয়ে কথাগুলো বলছিল যে আমি কোনভাবেই তাকে না করতে পারছিলাম না। 

আমি তাকে বলে ঠিক আছে। কিন্তু একটি কিস করবা এর বেশি কিছু না কিন্তু। 


বিশ্বাস করো ঈশিতা আমি এর বেশি কিছু করবোনা। 

ইয়ামিন আমাকে ধাক্কা দিয়ে আবারো বিছানা করে শুইয়ে দিল, আবার আমার শাড়িটা কোমরের পাশ থেকে সরিয়ে ফেললো, গোলাপি ঠোঁটটা আস্তে আস্তে আমার কোমরের কাছে নিয়ে আসলো। তারপর একটু সুন্দর করে একটি কিস করলো আমার কোমরে, 

আমার উত্তেজনা বেড়ে গেল আমার হার্টবিট বেড়ে গেল, ইয়ামিন সেখান থেকে উঠে আমার ঘাড়ে একটি কিস করলো, আমি যেন পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম, আমি তাকে আটকাতে চেয়েও আটকাতে পারছিলাম না। 

ইয়ামিন তারপর আমার ঠোঁটে কিস করা শুরু করলো। 

আমি মনে মনে ভাবছিলাম আজ বাদে কাল আমাদের বিয়ে, কিন্তু ইয়ামিনের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে সে আজকেই বাসর করে ফেলবে, তাকে আটকানো দরকার। 


আমি ইয়ামিনকে এক ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলাম। আর বললাম কি করছো ইয়ামিন এগুলো, শান্ত হও কালকে তো আমাদের বিয়ে আর আমি তো তোমারি না কি পাগল।


ইয়ামিন তখন আমাকে বলল আচ্ছা ঠিক আছে বাদ দিলাম এগুলা, আচ্ছা শোনো ঈশিতা আমরা বিয়ের পর কিভাবে সংসার করবো। 

আমি ইয়ামিন কে বললাম দিনের বেলায় আমরা মানুষদের মাঝে থাকবো। তুমি ছোটখাটো একটা মাদ্রাসায় জব করবে, দিন শেষে বাসায় আসবে, 

আর রাত যখন গভীর হবে তুমি তোমার দুনিয়ায় চলে যাবে, কারণ তুমি একজন রাজা তোমার কিছু দায়িত্ব আছে সেগুলো পালন করবে,ইয়ামিন আমাকে বল্লো তুমি কখনো আমাকে ছেড়ে যাবে না তো। 


তখনই আমি ইয়ামিন কে বলি আমি যতদিন বাঁচবো তোমার সাথেই বাচবো।


তারপর আমরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লাম , ভোর হওয়ার সাথে সাথেই ইয়ামিন আমাকে ঘুম থেকে তুলে বললো,ঈশিতা তাহলে আজকে আমি আসি, রাতে আসবো জামাই সেজে, যেটা গতকাল রাতে করতে যাওনি সেটা কিন্তু আজকে রাতে দিতে হবে।


আমি ইয়ামিন কে বলি আমি তোমার জন্য বউ সাজে অপেক্ষা করব।ইয়ামিন আমার থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেল, আজকে পবিত্র জুম্মার দিন, আজ রাতেই বাবা আমাদের দুহাত এক করে দেবে।


বাড়ি ভর্তি মানুষ সকলের বিয়ের আয়োজন নিয়ে অনেক ব্যস্ত, আর আমি ব্যস্ত আমার ভাবনাকে নিয়ে, 

আজকে আমাদের বাসর রাত, এই রাতটাকে নিয়ে আমার কত আশা ছিল, আজকে আমি বাসর করবো একটি জ্বিনের সাথে , ভাবা যায় বিষয়টা। 


ইয়ামিন ও ইমাম সাহেবের বিকেলের ভিতরে বাড়িতে আসার কথা ছিল, মাগরিবের পরে আমাদের বিয়ে। 

তবে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে এলো, না আছে ইমাম সাহেবের খোঁজ না আছে ইয়ামিন এর খোঁজ । 


আমরা অনেক টেনশনে পড়ে গেলাম কেন আসছে না তাড়া এখনো?


বাবা চাচা আর আমার চাচাতো ভাই এগিয়ে গেল মাদ্রাসার দিকে দেখার জন্য আসলে কি হয়েছে। তারা কেন এখনো আসছে না,কিন্তু তারা মাদ্রাসায় গিয়ে দেখে সেখানে ইমাম সাহেব নেই, মাদ্রাসার অন্যান্য লোকেরা বলছে ইমাম সাহেব ও ইয়ামিন আপনাদের বাড়ি থেকেই তো রওনা করলো আরও দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে।


কি হচ্ছে এসব তারা যদি বিয়ের জন্য মাদ্রাসা থেকে আমাদের বাড়িতে আসার জন্য রওনা করে, তাহলে মাঝপথে তারা কোথায় হারিয়ে গেল।


বাবা চাচা ও আমার চাচাতো ভাই বাড়িতে ফিরে আসে। 

বিয়ের আয়োজন বন্ধ হয়ে গেছে, সবার মনটা খুব খারাপ কি হল কেন হল কেউ কিছু বুঝতে পারছে না। 


আমি আমার ঘর লাগিয়ে একা একা ফুপিয়ে ফুপিয়ে কান্না করছি, ইয়ামিন এমনটা করতে পারলো, সে যদি আমাকে বিয়ে না করতে চাই তো তাহলে বললেই হত, এভাবে আমার বাবা-মার মান সম্মান নিয়ে খেলার কোন অধিকার নেই তার।দরজার বাইরে থেকে তানিয়া এসে আমাকে ডাকছে, ঈশিতা যা হওয়ার তা হয়ে গেছে, সারাদিন তুই কিছু খাস নি আয় বোন একসাথে খেয়ে নেই।


তানিয়া তুই যা তো আমার ক্ষুধা নেই, আমি ঠিক আছি তোরা আমাকে নিয়ে চিন্তা করিস না, তুই একটু আমার বাবাকে দেখ অনেক কষ্ট পেয়েছে, আমি কোনদিনই ইয়ামিনকে মাফ করবো না কোনদিন না, সে আমার জীবন নিয়ে এভাবে খেলা করলো, সে এত নিষ্ঠুর কি করে হলো বলতো।


ঈশিতা সব ঠিক হয়ে যাবে বোন আমার, তুই দরজাটা খুল না। 


তোকে বললাম তো আমি ঠিক আছি তুই যা।

তানিয়া তখন চলে গেল, তানিয়া যাওয়ার পর আমি আমার বিছানায় শুয়ে পড়ি,আমি আমার মনে অনেক আঘাত পেয়েছি, আমি ইয়ামিনকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি, সে আমার সাথে এত বড় একটা চিট করেছে, তার পরেও না তাকে আমার মন থেকে কোন অভিশাপ দিতে পারছিলাম না, কান্না করতে করতে আমি একটা পর্যায়ে ঘুমিয়ে পড়ি।


ঘুমের মাঝে আমি খুব অদ্ভুত একটা স্বপ্ন দেখি, 

আমি দেখছিলাম,ইয়ামিন একটি অনেক বড় ঘোরার গাড়ির উপরে একটি খাঁচার ভিতর বন্দী, ঘোড়ার গাড়িটি একটি পথ ধরে এগিয়ে যাচ্ছে, আর তার চারিপাশে অনেক সৈনিক হেঁটে হেঁটে যাচ্ছেন , 

তার পাশে একটি রাজকীয় পালকি চলছে,

আর পালকির পাশে একটি খুব সুন্দর রাজকীয় হাতি চলছে,হাতিটির উপরে একটি খুব সুন্দরভাবে বয়স্ক লোক বসে আছে,লোকটির পরনে খুব সুন্দর সম্রাটদের মতো পোশাক। 


হঠাৎ করে সেই বয়স্ক লোকটির সকলকে বললো, 

সবাই একটু থামো,এটা বলার সাথে সাথেই সে হাতিটি আস্তে আস্তে নিচু হয়ে গেল, আর সেই সম্রাটের মতো দেখতে বয়স্ক লোকটা হাতি থেকে নেমে এলো, 

তখন আমি দেখি পাশে একটি মহিলা ভেতর থেকে বের হয়ে এলো, খুব সুন্দর একটি মহিলা, মহিলাটি খুব সুন্দরভাবে রাজকীয়ভাবে সেজে আছে, যেমনটা আগেরকার দিনের, মহারানীরা সেজে থাকত।


সে বয়স্ক লোক আর সে মহিলাটা আমার দিকে করে আমাকে বলতে শুরু করে, আমি স্বপ্নের মাঝে দেখছিলাম তারা আমাকে দেখতে পারছেন। 

তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলে।


ইয়ামিনকে আমরাই নিয়ে যাচ্ছি, সে আর কখনো তোমার জীবনে ফিরে আসবেনা, তোমরা যেটা করেছো সেটা ভুল, তোমরা যেটা করতে যাচ্ছিলে সেটাও ভুল, 

এটা প্রকৃতির নিয়মের বাইরে, সে একটা জ্বিন আর তুমি একটা মানুষের কন্যা, তোমাদের বিয়ে ও বাসর কখনই হতে পারে না।আমাদেরকে ভুল বুঝবে না আমরা খারাপ কোন জ্বীন না, আমরা ইয়ামিনেরই খুব আপন মানুষ, তোমাদের ভালোর জন্যই আমরা এই কাজটি করতে বাধ্য হয়েছি,আমরা আশা রাখি তুমি তোমার দৈনিক জীবনে আবার ফিরে যেতে পারবে , 

আর ইয়ামিন তোমার সাথে যা যা করেছে তার জন্য আমরা আসলেই লজ্জিত, তারপরে আমরা তোমার কাছে ক্ষমা চাইছি, ভালো থাকবে তুমি ঈশিতা । 


তখনই আমার ঘুমটা ভেঙে যায়, 

আমি লাফিয়ে ওঠে ঘুম থেকে, হে আল্লাহ এটা কেমন স্বপ্ন দেখলাম আমি, আর স্বপ্নের মাঝে তারা কে ছিল।

বাইরের দিকে তাকিয়ে দেখি ভোর সকাল হয়ে গেছে, 

বাবা আমার দরজার বাইরে এসে আবারো আমাকে ডাকতে শুরু করে, আর বলতে শুরু করে মা দরজাটা খোল একদিন হয়ে গেল যে কিছু খাস না।তুই যদি এমন পাগলামি করিস তাহলে যে আমার খুব কষ্ট হয়, যা হওয়ার তা তো হয়ে গেছে এখন নিজেকে সামলে নে, নিজেকে আর কত কষ্ট দিবি মা। 


 


আমি বুঝতে পারছিলাম আমার জন্য বাবা-মার অনেক কষ্ট হচ্ছে, আমি এক দৌড়ে দরজাটা খুলে ফেলি, আর বাবাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে শুরু করি, আমি বাবাকে সবটা বলতে চাচ্ছিলাম আর ইয়ামিন যে আসলে একটা মানুষ না সবকিছু, কিন্তু কেন জানিনা আমি তাকে বলতে পারছিলাম না, আমি ভাবছিলাম বাবা যদি এগুলো শুনে আরো ভেঙে পরবে। , আর আমি একটি মেয়ে হয়ে কি করে বলবো একটি জ্বিন আমার সাথে কি করেছে,আমি সিদ্ধান্ত নিলাম আমি নিজেকে গুছিয়ে নেব, আর আমার দৈনিক জীবনে আবার ফিরে যাব।


আমি বাবাকে বলি বাবা আজকে আমরা ঢাকা চলে যাব, আমার না কিছু ভালো লাগছে না আমার এখানে ভালো লাগছেনা।


বাবা আমাকে বলে ঠিক আছে মা আমরা আজকে ঢাকা চলে যাব, সকাল দশটা, ব্যাগ পত্র গোছ করে, দাদা চাচার থেকে বিদায় নিয়ে রওনা করবো ঢাকার উদ্দেশ্যে, তখনই আমার চাচাতো ভাই সোহেল দৌড়াতে দৌড়াতে, বাড়ির উঠানে এসে সকলকে বলতে শুরু করে, ইমাম সাহেবকে পাওয়া গেছে, ইমাম সাহেব আমাদের গ্রামের নদীর পাড়ে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছে, তাকে ধরাধরি করে মাদ্রাসায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে,।


আমার বাবা আর চাচা তখন আমাকে বলে। মা তুই এখানে দারা আমরা এখনই দেখে আসছি কি হয়েছে,

 আমার মনে অনেক অজানা, প্রশ্ন উদয় হয়, ইমাম সাহেবের কি হয়েছে আর সে কেনই বা অজ্ঞান অবস্থায় নদীর পাড়ে পড়েছিল,আর গতকাল স্বপ্নের সাথে কি ইমাম সাহেবের কোন যোগ শত্রু আছে?


তারপর ______


Next______


আল্লাহ হাফেজ 💕💕

Post a Comment

0 Comments