অশরীরী সহবাস 🌺🦋#সমাপ্ত🦋🌺

 

গল্প_অশরীরী সহবাস 

শেষ পর্ব 

#লেখক_আরিয়ান_অভি 

দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করল নিশিরাম ও ভোগনাথ। 

তারা দুজনেই একই রকম, পোশাক পড়ে আছে। যেমনটা হিন্দু তান্ত্রিকেরা পড়ে থাকে,গলায় মুক্তার মালা, মাথায় রাজ মুকুট । তাদের দেখেই বোঝা যাচ্ছিল তারা অনেক শক্তিশালী,তাদের চোখ দুটো আমার উপরে আটকে আছে আর মুখে একটি লালসার হাঁসি। 


আমার মনের ভেতরে অনেক ভয় লাগছিল। ঠিক তখনই নিশিরাম আমার ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ল। আমাকে ধাক্কা দিয়ে খাটের উপরে শুইয়ে, আমার সাথে জোর করতে শুরু করলো, যখন আমকে জোর করে কিস করতে যাবে, ঠিক তখনই ভোগনাথ এসে তাকে এক টান দিয়ে আমার উপর থেকে সরিয়ে দূরে ছুড়ে মারল। 


নিশিরাম রেগে গেলো, ভোগনাথ নিশীরাম কে বলল থাম বন্ধু নিজেকে একটু কন্ট্রোল কর। , ওকে এত সহজে ভোগ করলে হবে নাকি। তুমি কি ভুলে গেছো আমরা একে অপরকে কথা দিয়েছিলাম। অকে একসাথে ভোগ করব তাও ইয়ামিনের সামনে। তারপর আমাদের গোলামেরা ও এক এক করে ভোগ করবে। ও তখন এমনিতেই মারা যাবে, এত উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই চল না ওকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হোক, এটা বলে সে হাসতে শুরু করলো। 


নিশিরাম নিজের রাগ কন্ট্রোল করলো। আর বলল হ্যাঁ আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম। চলো শালিকে উঠিয়ে নিয়ে যাই, আমার যে সহ্য হচ্ছে না ওর ওই রূপ দেখে আমার মাথা নষ্ট হয়ে গেছে।


ভোগনাথ তখন আমার কাছে এসে বলল কিরে তোর সাথিরা কই আমাদের দেখে কি ভয়ে পালিয়েছে। চল চল তোকে আজকে মজা করে খাব চল, নিশিরাম আমাকে তার কাধে তুলে নিল। তারপর তারা দুইজন আমাকে নিয়ে ঘরের বাইরে এলো।আমি আগে থেকেই বাবা-মা চাচা চাচির সকলের দরজার বাইরে মোটা তালা মেরে রেখেছিলাম। যেনো তারা কোনভাবেই বাইরে না আসতে পারে, কারণ কোন বাবা মায়েরা চাইবে না তাদের চোখের সামনে থেকে তার মেয়েকে কেউ উঠিয়ে নিয়ে যাক। 


আমি দেখি আমাদের বাড়ির বাইরে একটি ঘোড়ার গাড়ি রাখা। আর চারিপাশে অনেক অনেক কালো ছায়া দিয়ে ঘেরা, এরা সকলেই হচ্ছে নিশিরাম ও ভোগনাথের গোলামেরা।


নিশিরাম আমাকে নিয়ে ঘোড়ার গাড়ির ভেতরে ছুড়ে মারল, আর আমার হাত দুটো বেঁধে ফেলল, 


ঘোড়ার গাড়িটি চলতে শুরু করল কোন পথে চলছে আমি জানিনা আমার, অনেক ভয় লাগছিল আমি কি আমার ইজ্জত টাকে হারাবো, আমি নিজের মনে নিজের সাহস সঞ্চয় করি। কারণ আমার বিশ্বাস ইয়ামিন আমাকে রক্ষা করবে, মনে মনে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাচ্ছিলাম। হে আল্লাহ এই কাফেরদের হাত থেকে আমাকে রক্ষা করো। 


২ ঘন্টা ঘোড়ার গাড়িটি চলার পর, একটি জায়গায় এসে থামল, ভোগনাদ আমার কাছে এসে আমার চুল ধরে তুলে জোর করে আমার ঠোঁটে একটা কিস করলো , আর বলল চল চল তোর জন্য বাসর সাজিয়ে রেখেছি। 


সে আমাকে চুল ধরে টেনে গাড়ি থেকে নামায় আমি দেখতে পাই চারিপাশে অনেক অনেক প্রচুর পাহাড়, 

চাঁদের আলোতে বুঝতে পারছিলাম সকল পাহাড়ের রঙ সাদা, এই কারণেই বোধহয় এই জায়গাটার নাম সাদা পাহাড়ি এলাকা 


তারা দুইজন আমাকে নিয়ে একটি পাহাড়ের গুহায় প্রবেশ করে। আর প্রবেশ করার আগে তার সকল গোলামদের আদেশ করে চারিপাশে পাহারায় রেখে দেও, গুহার ভিতরে প্রবেশ করার পর আমি দেখতে পাচ্ছিলাম চারিপাশে মশালের আগুন জ্বলছে। 


আর সে পাহাড়ের গুহার ভেতরে একটি পাশে, একটি খাট সাজানো ফুল দিয়ে, আর ঠিক তার পাশেই একটি লোহার খাঁচার ভিতর বন্দী অবস্থায় পড়ে আছে ইয়ামিন।


আমি ইয়ামিনকে দেখার সাথে সাথেই অনেক জোরে একটা চিৎকার দেই আর বলি আমাকে, বাঁচাও আমাকে বাচাও।


আমার ডাকে ইয়ামিন জ্ঞান ফিরে পায়। আর উঠে দাঁড়ায়, ইয়ামিন পাগলের মত চিৎকার করছিল আর ভোগনাথ ও নিশিরাম কে বলছিল দয়া করে ওকে ছেড়ে দাও । 


ভোগনাথ ইয়ামিনের কাছে গিয়ে বলে তুই আমার গোলামদের হত্যা করেছিস, এখন তোর সামনে তোর প্রিয়তমাকে কি করব জানিস, না থাক বলে কি লাভ তোকে দেখেই করব। 


এটা বলে ভোগনাথ আমাকে টানতে টানতে সেই বিছানার উপরে শুইয়ে দিল। আর নিশিরাম ছুটে এসে আমার শাড়ি টানতে শুরু করল ।


দুইজন দুইপাশ থেকে কুকুরের মত আমার উপরে ঝাঁপিয়ে পড়লো, আমাকে নির্যাতন করতে শুরু করলো, ওই পাশে ইয়ামিন পাগলের মত লোহার খাঁচায় ঘুসি মারছে লাথি মারছে বের হওয়ার জন্য। 


আমি কোনভাবেই তাদের কাছে বর্ষতা স্বীকার করছিলাম না, নিশিরাম আমার গালে এক চড় মারে, চরটা এত জোরে মেরেছে যে আমার গালটা ফেটে একটি পাশ দিয়ে রক্ত বের হতে শুরু করে। 


আমি ব্যাথা সহ্য করতে না পেরে একটা চিৎকার দি ও বাবা গো,।


 ইয়ামিনের এই জিনিসটা দেখে তার রাগ এতটাই বেড়ে যায় যে সে নিজের রাগের উপর আর কন্ট্রোল করতে পারে না। 


আমি এক নজর ইয়ামিনের দিকে তাকাই। আমি দেখি সে এখন আর সাধারণ কোন মানুষরূপে নেই, ইয়ামিনের পুরো শরীর এখন দাউ দাউ করে আগুনে জ্বলছে। সে এক লাথিতে সেই মজবুদ লোহার খাচাটা তখন ভেঙে ফেলে। 


এই ভয়াবহ দৃশ্য দেখে ভোগনাথ ও নিশি রাম আমাকে ছেড়ে সেদিকে ঘুরে তাকায়। 


ভোগনাথ ও নিশিরাম ইয়ামিনের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য সেদিকে এগিয়ে যায় । 


কিন্তু ইয়ামিন তার দুই হাত দিয়ে তাদের দুজনের গলা ধরে ছুড়ে মারে, এত জোরে ছুড়ে মেরেছে পাহাড় ফেটে তারা বাইরে জঙ্গলে এসে পড়ে। 


ইয়ামিনের শরীরে এত আগুনের তাপ ছিল যে আমি তার কাছে যেতে পারছিলাম না, ইয়ামিন শুধু আমার দিকে একটি নজর তাকায়। আর বলে তোমার কিছু হবে না, এটা বলেই ইয়ামিন সেই দিকে এগিয়ে যায়। যেদিকে নিশি রাম ও ভোগনাথ গিয়ে পড়েছে, 


 তখনই আমি শুনতে পাই চারিপাশে লক্ষ লক্ষ মানুষ একসাথে বলে উঠলো, আল্লাহু আকবার চলো। 

আমি গুহার ভেতর শুনতে পারছিলাম বাইরে, প্রচুর চিৎকার চেঁচামেচি হচ্ছে, আমি বুঝতে পারছিলাম বাইরে ভয়াবহ যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে, লক্ষ লক্ষ জ্বিন একে অপরের সাথে লড়াই করছে। 


তখনই সে গুহার ভেতরে ভোগনাতের চারটি গোলাম প্রবেশ করে, আর আমার কাছে আস্তে আস্তে আগাতে শুরু করে, আমি দেখছিলাম তাদের পুরো শরীর অনেক লম্বা লম্বা কালো পশম দিয়ে ভরা, তারা আমাকে বলতে শুরু করে। আমাদের মহারাজ ভোগ করতে পারেনি তো কি হয়েছে আমরা তোর সাথে সহবাস করবো, আমি ভয়ে ভয়ে আস্তে আস্তে পিছপা হচ্ছিলাম, আর ভাবছিলাম এখন কি হবে? এখন কি হবে আমার। 


ঠিক তখনই আমার কানে আসে কেউ একজন কোরআন তেলাওয়াত করতে করতে গুহার ভেতরে প্রবেশ করল, আর কোরআন তেলাওয়াতের শব্দে চারটি, খারাপ জ্বিন তাদের কান ধরে মাটিতে বসে পড়ল, তারা অনেক কষ্ট পাচ্ছিল আর দাঁতে দাঁত চেপে বলছিল বন্ধ কর বন্ধ কর কোরআন পড়া। 


আমি দেখতে পাই গুহার ভেতর প্রবেশ করেছে রাকিব ভাই তার হাতে একটি, পবিত্র কোরআন। রাকিব ভাই তার ব্যাগের ভেতর থেকে জমজমের পানি বের করে সে চারটি জ্বিনের উপরে, ঢেলে দেয়, আর ব্যাগে থাকা একটি মশাল তাদের উপরে ছুড়ে মারে,সাথে সাথে সে চারটি জ্বীন মৃত্যু চিৎকার দিয়ে জ্বলতে জ্বলতে সেখানে কয়লা হয়ে যায়। 


আমি এক দৌড়ে ছুটে আসি রাকিব ভাইয়ের কাছে,

রাকিব ভাই আমাকে বলেন ভয় পেয়ো না ঈশিতা। আমরা আমাদের কাজে সফল হয়েছি, এখন আর ইয়ামিনকে আর কেউ আটকাতে পারবেনা।

সে তার পুরো শক্তি অর্জন করে ফেলেছে, বাইরে এখন মৃত্যুর তাণ্ডব চলছে, চলো আমার সাথে বাইরে আসো। 


আমি রাকিব ভাইয়ের সাথে বাইরে আসি আর দেখিয়ে, 

সেই জঙ্গলের একটি পাস দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে,আর সেই আগুন থেকে লক্ষ লক্ষ কালো ধোয়া আকাশে উড়ে যাচ্ছে, রাকিব ভাই আমাকে বলে সব কাফেরদের সেই আগুনে পোড়ানো হচ্ছে আর তাদের, রুহু গুলো ওই দেখো আকাশে উড়ে যাচ্ছে, এপারে তো শাস্তি পেল ওই পারে ও আল্লাহ পাক তাদেরকে ছেড়ে দেবে না। 


আমি দেখছি লক্ষ লক্ষ কন্ঠে আবারও সকলে বলে উঠলো , আলহামদুলিল্লাহ আমরা জয়লাভ করেছি। তুমি ভালো থেকো বোন ঈশিতা আমরা তাহলে আজকে আসি আল্লাহ হাফেজ, লক্ষ লক্ষ জ্বিনেরা একসাথে এ কথা বলল। আমি তাদের দেখতে পারছিলাম না তারা সকলেই হাওয়ায় ভাসমান ছিল, আমি তাদের প্রতি অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই এই বিপদে পাশে দাঁড়ানোর জন্য, আল্লাহ হাফেজ ইনশাল্লাহ আপনাদের সাথে আবারো দেখা হবে । 


তখনই আমি দেখি জঙ্গলের ভেতর থেকে ইয়ামিন বের হয়ে আসছে, সে তার দুই হাত দিয়ে এক হাতে, নিশিরাম আরেক হাতে ভোগনাথের চুল ধরে টানতে টানতে আমার কাছে নিয়ে আসছে।


আমার পায়ের কাছে এনে ইয়ামিন তাদের দুজনকে ছুড়ে মারে, আর আমাকে বলে আল্লাহ কখনো ছেড়ে দেয় না, ওদের পাপের ভরা পূরণ হয়েছে, আমি দেখলাম ইয়ামিন তখন তার পুরো শক্তি দিয়ে তাদের বুকের উপরে পা রাখে,।


ভোগনাথ ও নিশিরাম এত শক্তিশালী হওয়ার পরেও ইয়ামিনের পায়ের ভার সহ্য করতে পারছিল না। 

একটা পর্যায়ে তারা কলিজা ফেটে সেখানে মারা যায়, 

ইয়ামিন যখন বুঝতে পারে তারা মারা গেছে। তখন তাদেরকে মাটি থেকে তুলে সেই আগুনের দিকে ছুড়ে মারে।


এখনো ইয়ামিনের শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে, আমি বুঝতে পারলাম ইয়ামিনকে যদি এখন শান্ত না করা হয় তাহলে সে ভুলে যাবে সে কে, 

হয়তোবা তখন সে তার পূর্বপুরুষের মতো অন্যান্য জ্বিনেদের হত্যা করতে শুরু করবে। 


আমি এক দৌড়ে ইয়ামিনকে জড়িয়ে ধরি। আমার শরীর পুড়ে যাচ্ছিল তার শরীরের তাপে, ইয়ামিন যখন বুজতে পারে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। তখন সে সাথে সাথে ঠান্ডা হয়ে যায়, আবারো আগের মানুষ রূপে ফিরে আসে। 


ইয়ামিন রাকিব ভাইয়াকে অনেক ধন্যবাদ দেয়, 

আর আমি রাকিব ভাইয়াকে বলি রাকিব ভাইয়া আপনি কষ্ট করে একাই ফিরে যান, আমি আপনার সাথে আসতে পারবো না, আর হ্যাঁ আপনি আমার বাবা মার কাছে গিয়ে বলবেন, আমি ইয়ামিন কে রক্ষা করেছি। আর তার সাথে সারাজীবন কাটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমি তার সাথে তার জগতেই থাকবো।


কিন্তু আমি মাঝে মাঝেই ইয়ামিনের শক্তির মাধ্যমে তাদের স্বপ্নে এসে দেখা দেবো,তাদের মন খারাপ করতে মানা করবেন, রাকিব ভাইয়া বলে ঠিক আছে ঈশিতা, তুমি একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছো।


গ্রামের অনেকেই জেনে গেছে ইয়ামিন একটি জ্বিন, 

আর তোমার বাবা-মা এখন চাইলেও তার সাথে তোমার আর বিয়ে দিতে পারবে না, কিন্তু আমিও চাই তোমাদের ভালোবাসা জয় হোক,তোমার বাবা জ্ঞানী মানুষ তাকে বুঝিয়ে বললে অবশেষে বুঝবে,আমি তাহলে আসি তোমরা ভালো থেকো।


রাকিব ভাই চলে গেল সেখান থেকে, 

ইয়ামিন আমাকে বলল তুমি যেটা করলে ভেবে করলে তো, তুমি আমার জন্য তোমার বাবা-মা চাচা চাচি সকলকে ত্যাগ করলে।


আমি ইয়ামিনকে বলি বিয়ের পর তো স্বামী তার সবকিছু, চলো আমরা আজকেই বিয়ে করবো, 

সেদিনই ইয়ামিন তাদের জগতে আমাকে নিয়ে যায়, 

আর সে জগতের, ৩ লাখ জ্বিনেরা আমাকে স্বাগতম জানায়, আর সেই জ্বিনেদের ভিতরে সবথেকে বয়স্ক জ্বিন আমাদের বিয়ে পড়ায়।


বিয়ের পর আমাদের বাসরের ব্যবস্থা করা হয় ইয়ামিনের প্রাসাদে, আমি বাসর ঘরে বসে আছি, সবাই বিয়ের দিন লাল টকটকে শাড়ি পড়ে কিন্তু ইয়ামিন অই রাজপ্রাসাদের দাসিদের বলেছে আমাকে যেন নীল টকটকে, এক শাড়ি পড়ানো হয়,ইয়ামিনের আদেশে তাই করা হলো আমাকে নীল শাড়ি পরিয়ে বাসর ঘরে বসে রাখা হলো। 


বেশ কিছুক্ষণ পর ইয়ামিন ঘরের ভেতর প্রবেশ করল সে একটি সাদা ফুটের পাঞ্জাবি পরা, ঘরে প্রবেশ করে এসে দরজাটা লাগিয়ে দিল, আমার বুকের ভেতর হাটবিট ওখানে বেড়ে গেল, বুকের বা পাশে হ্রদয় কেমন জানি করছিল।


ইয়ামিন আমার কাছে আসতে আসতে এসে বসলো, 

আর আমাকে বললো তুমি হয়তো অনেক ভয় পেয়ে আছো, আমি বুঝতে পারছি প্রথম রাত তো। 

ঠিক আছে আমি না হয় অন্য ঘরে গিয়ে ঘুমাই আস্তে আস্তে এটার অভ্যাস হয়ে যাবে, এটা বলে যখন ইয়ামিন খাট থেকে উঠে যাবে আমি নিজের অজান্তেই পেছন থেকে তার হাতটা টেনে আমার খাটে আমি শুইয়ে দেই,  

তারপর তার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে একটি, কিস করি,

তারপর কি হয়েছে আশা করি আপনাদের বলতে হবে না। আলহামদুলিল্লাহ আমাদের বিবাহিত জীবন খুব সুখে কাটছে, মাঝে মাঝে ইয়ামিনের শক্তির মাধ্যমে আমি আমাদের জগতের বাবা-মার স্বপ্নে দেখা দেই।


ইয়ামিন থাকে আমার সাথে, বাবা-মা স্বপ্নের মাঝেই আমাদেরকে দেখে বলে তোমাদের দুজনের জুটি খুব সুন্দর মানিয়েছে, দোয়া করি তোমরা দুইজনে একে অপরকে এভাবেই সারা জীবন ভালোবেসে যাও। 

আপনারাও আমাদের জন্য দোয়া করবেন যেন আমাদের ভালোবাসা সারা জীবন এমনই থাকে। 


অশরীর সহবাস এই গল্পটি আমি এইখানেই শেষ করলাম, সবগুলো পর্ব যারা যারা পরেছেন তাদের মতামত চাই পুরো গল্পটি আপনাদের কাছে ঠিক কেমন লেগেছে, আর আজ রাতে নতুন গল্প লেখা শুরু করে দিব, আসছে আগামীকাল, মৎস্যকন্যা, গল্পটি পড়ার জন্য কি আপনার আগ্রহী, অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। 


আমি আরিয়ান আজ আপনাদের থেকে বিদায় নিলাম 

আল্লাহ হাফেজ আসসালামু আলাইকুম 💞

Post a Comment

0 Comments